জাতীয়

বেতন ভাতা ও সুযোগ সুবিধা কম,দায়িত্ব অনেক বেশি

বেতন ভাতা ও সুযোগ সুবিধা কম,দায়িত্ব অনেক বেশি,প্রায় চব্বিশ ঘন্টা,শুক্র শনি ঈদ দিবসে বন্ধ নেই,একমাত্র চাকুরিটার নাম ইমামতি ও মোয়াজ্জিনী।যা অন্য কোন পেশায় নেই।অন্যান্য চাকুরিতে মালিক পক্ষ থাকে এক বা দুই জন। আর ইমামতি চাকুরিতে মালিক পক্ষ শত শত জন। একজন মাত্র মালিকের অধীনে হাজার হাজর লোকও চাকুরি করে থাকে। তারপরেও কোন কোন সময় মালিক পক্ষকে সন্তুষ্ট করা যায় না।আর ইমামতিতে এক জন মাত্র ইমাম ও মোয়াজ্জিনের পক্ষে শত শত মানুষের শত শত মনকে রক্ষা করা কি সাধারণ কোন বিষয়?যা খুবই কঠিন ও জটিল একটি কাজ। ছুটিতে যেয়ে যদি কোন ওজরের কারনে মাত্র একদিনের বেশি হয়ে যায়,তাহলেই শুরু হলো চিল্লা- চিল্লি যে,এই মাসের বেতন দেওয়া যাবে না,এ ইমাম বাদ দিয়া আরেক জন নিয়োগ দাও। তখন মসজিদের সমস্ত মুসুল্লিই যেন ইমামের বসের ভুমিকা পালন করে। পান থেকে চুন খসলেই যেন আর রক্ষা নাই। “আঙ্গুল উঁচিয়ে ধমকের সুরে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করে না।ভূলে যায় উনার পিছনে নামায আদায় করেছি।যার সাথে ইমাম সাহেবের খাতির বেশী,বিরোধীতায় সেই যেন সবার আগে অগ্রনী ভুমিকা পালন করে। আমি মাঝে মধ্য ভাবি যে, এই লোকগুলি যদি এমপি বা মন্ত্রি হতে পারতো,তা হলে জনগনের বারোটা বাজিয়ে ছাড়তো।

https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg মাসে এক শত টাকা মসজিদে চাঁদা দিয়াই যেই পরিমান খবরদারি ও নজরদারী করেন,তা দেখে গা জ্বালা করে। কার মহল্লার মসজিদকে কতো সুন্দর করা যায়, কত রকমের ডিজাইন করা যায়,তাহা নিয়া চলে তুমুল প্রতিযোগিতা।হালাল হারামের বাছ বিচার নাই।তখন টাকার হিসাবও নাই। যত টাকাই লাগুক না কেন টাকারও অভাব হয়না। যত সমস্যা ইমাম মোয়াজ্জিনের বেতন নিয়া,তাও আবার চার-পাচঁ হাজারের বেশি দিতে রাজি না।তারা আবার ইমাম মোয়াজ্জিন সাহেবকে দেখতে চান সৎ,আমানতদার, দায়িত্ববান,ধৈর্যশীল ও মুত্তাকি হিসাবে। আবার বেতন না কি যা দেয়া হয়,তাও বেশী হয়ে যায়,উনাদের যেন পরিবার নেই,ভিন্ন গ্রহে বসবাস,হায়রে আল্লাহ হায়রে মানুষ! https://i.imgur.com/Hjjwsnc.jpg

একজন ইমামের অবমাননা করেও দৌড়িয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে চাও। মনে রাখবেন ইমাম কারো চাকর না! তিনি “ওরাছাতুল আম্বিয়া” অর্থাৎ নবীগণের উত্তরাধিকারী। যেই মিম্বারে নবীজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসতেন, সেই মিম্বারেই কিন্তু একজন ইমাম বসেন।অতএব, কাকে অবমাননা করছো? কার সাথে বেয়াদবি করেছো? একটুও ভেবে দেখো। হে আল্লাহ বাংলাদেশের ইমামও মোয়াজ্জিনদের তুমি হেফাজত করো। আমিন

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button